২.১। লে অফ কি?
২.২। কখন মালিকপক্ষ লে অফ ঘোষণা করতে পারেন? / কি কি কারণে লে অফ ঘোষণা করা যায়?
২.৩। লে অফকৃত শ্রমিকগণ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী কিন্তু সব সময় নয়/ লে অফকৃত শ্রমিকের ক্ষতিপূরণ বর্ণনা কর ।
২.৪। কখন লেঅফের পরবর্তীতে ছাটাই করা যায়?
২.৫। লে অফ ও ছাঁটাই এর মধ্যে পার্থক্য আলোচনা কর।
২.৬। স্ট্রাইক ও লক আউট বা তালাবদ্ধ বলতে কি বুঝ? / কে কখন কিভাবে স্ট্রাইক ও লক আউট আহবান করতে পারে?
২.৭। নিয়োগ কর্তা কে?
২.৮। কখন তালাবদ্ধ ও ধর্মঘট বেআইনি হয়?
২.৯। কখন শ্রম আদালত বা ট্রাইব্যুনাল তালাবদ্ধ ও ধর্ম নিষিদ্ধ করতে পারে।
২.১০। বেআইনি তালাবদ্ধ ও ধর্মের জন্য ইহার উস্কানির জন্য শাস্তির বিধান গুলি কি কি?
২.১১ ধর্মঘট ও লক আউটের পার্থক্য।
২.১২ বেআইনি ধর্মঘটের কারণে কোন শ্রমিককে অবসানের সকল সুবিধা সহ চাকরি অবসান করা হলে এর কি কি আইনত দিক রয়েছে?
২.১। লে অফ কি?
যুক্তিসঙ্গত কারণে কোন মালিক যদি তার শ্রমিকদের কাজ দিতে না পারে বা চাকুরীতে বহাল রাখতে অ স্বীকৃতি জানায় তাহলে তাকে লে অফ বলে।
শ্রম আইনের দুই আর 58 ধারায় বলা হয়েছে-
লে অফ অর্থ কয়লা, শক্তি বা কাঁচামলের স্বল্পতা, মাল জমে থাকা, যন্ত্রপাতি বিকল বা ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে কোন শ্রমিককে কাজ দিতে মালিকের ব্যর্থতা, অস্বীকৃতি বা অক্ষমতা।
২.২। কখন মালিকপক্ষ লে অফ ঘোষণা করতে পারেন? / কি কি কারণে লে অফ ঘোষণা করা যায়?
শ্রম আইনের ২( ৫৮ ) ধারায় উল্লেখিত সংজ্ঞা অনুযায়ী নিম্নের কারণে একজন মালিক লে অফ ঘোষণা করতে পারে:
১) কারখানায় যদি কয়লা, শক্তি বা কাঁচামলের স্বল্পতা দেখা দেয় তাহলে একজন মালিক লে অফ ঘোষণা করতে পারে।
২) কারখানায় যদি উৎপাদিত মালামাল অতিরিক্ত হয়ে যায় তাহলে একজন মালিক ঘোষণা করতে পারে।
৩) কোন যন্ত্রপাতি যদি বিকল হয়ে যায় অথবা ভেঙ্গে যায় তাহলে একজন মালিক লে অফ ঘোষণা করতে পারে।
৪) এ ছাড়া অন্য কোন যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকলে একজন মালিক লে অফ ঘোষণা করতে পারে।
২.৩। লে অফকৃত শ্রমিকগণ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী কিন্তু সব সময় নয়/ লে অফকৃত শ্রমিকের ক্ষতিপূরণ বর্ণনা কর ।
যে সকল কারণে নিয়মকৃত শ্রমিকরা ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী হয় বা শ্রম আইনের 16 ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। নিম্নে সেগুলি গুলো আলোচনা করা হলো:
১) যে সকল শ্রমিক অন্তত এক বছর চাকরিতে কর্মরত এবং যাদের নাম মাস্টার রোলে আছে তাদেরকে সপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত লে অফের সকল দিনের ক্ষতিপূরণ পাবে।
২) উক্ত ক্ষতিপূরণের পরিমাণ হবে মূলমজুরি, মহার্ঘ ভাতা, এডহক ইত্যাদির অর্ধেক।
৩) লে অফ না হলে শ্রমিক যে আবাসিক সুবিধা পেতেন তা সম্পূর্ণভাবে।
৪) মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে ভিন্ন কোন চুক্তি না হলে শ্রমিকা সর্বোচ্চ ৪৫ দিনের ক্ষতিপূরণ হবে।
৫) ৪৫ দিনের বেশি সময়ের জন্য লে অফ করা হলে অতিরিক্ত দিনের জন্য ক্ষতিপূরণের পরিমাণ হবে মূল মজুরি, মহার্ঘ ভাতা, এডহক ইত্যাদির চার ভাগের এক ভাগ। তবে আবাসিক ভাতার সুবিধা থাকলে তার সম্পূর্ণ পাবে।
২.৪। কখন লেঅফের পরবর্তীতে ছাটাই করা যায়?
যে সকল কারণে নিয়মকৃত শ্রমিকরা কোন ক্ষতি করন পায় না তা শ্রম আইনের ১৮ এর এক ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। নিম্নে সেগুলি আলোচনা করা হলো:
১) শ্রমিক যদি নিজেই কাজ করতে অস্বীকার করে,
২) একই মালিকের অধীনে আজ কিলোমিটার এর মধ্যে অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে অস্বীকার করলে,
৩) অভিজ্ঞতা প্রয়োজন নেই এমন কোন বিকল্প পথ কাজ করতে অস্বীকার করলে,
৪) দিনে অন্তত একবার নির্দিষ্ট সময়ের কর্মস্থলে হাজিরা না দিলে।
উপসংহার: কোন শিল্পী যদি কাজ না থাকে বা কাজ কামে গিয়ে থাকে তাহলে মালিকপক্ষ কোন উক্ত শিল্প লে অফ করে থাকেন বা lockout করে থাকেন।
২.৫। লে অফ ও ছাঁটাই এর মধ্যে পার্থক্য আলোচনা কর।
২.৬। স্ট্রাইক ও লক আউট বা তালাবদ্ধ বলতে কি বুঝ? / কে কখন কিভাবে স্ট্রাইক ও লক আউট আহবান করতে পারে?
ইংরেজি strike শব্দের বাংলা অর্থ ধর্মঘট এবং lockout শব্দের বাংলা অর্থ তালাবদ্ধ। ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ধর্মঘট বা তালাবদ্ধ করা যায়। তবে সেটি আইনসম্মত হতে হবে। সাধারণত ধর্মঘট করেন শ্রমিকপক্ষ এবং লক আউট বা তালাবদ্ধ করেন মালিকপক্ষ।
ধর্মঘট strike:
ধর্মঘট বলতে সাধারণত কাজ থেকে বিরত থাকা কি বুঝায়। বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত কতিপয় লোক সঙ্ঘবদ্ধ ভাবে কাজ বন্ধ করা বা কাজ করতে অস্বীকৃতি জানানোকে ধর্মঘট বলে।
অথবা চাকুরীতে নিযুক্ত কিছু সংখ্যক লোক ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে কাজ করতে অস্বীকার করলে তাকে ধর্মঘট বলে। [ধারা-২(২২)]
লক আউট বা তালাবদ্ধ ( Lockout ):
কোন প্রতিষ্ঠান বা প্রতিষ্ঠানের যেকোনো অংশ অল্প সময়ের জন্য বা দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ করে দেওয়াকে lockout বা তালা বদ্ধ করে।
বাংলাদেশ তম আইন 2006 অনুযায়ী নিম্নের যেকোনো কাজ লক আউট বা তালাবদ্ধ বলে গণ্য-
১) প্রতিষ্ঠানের মালিক কর্তৃক কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া,
২) সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা,
৩) প্রতিষ্ঠানের একাংশ বন্ধ করে দেয়া,
৪) শিল্প বিরোধে জড়িয়ে পড়ার যেকোনো সংখ্যক শ্রমিককে কাজ করতে দিতে অস্বীকার করা,
৫) চাকুরীর কোন শর্ত মেনে নেয়ার জন্য শ্রমিকদের বাধ্য করতে প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা,
৬) অন্য কোন কারণে কাজ করতে দিতে অস্বীকার করা। [ধারা -২(৫৭)]
২.৭। নিয়োগ কর্তা কে?
২০০৬ সালের শ্রম আইনের দুইয়ের ৪৯ ধারায় নিয়োগকর্তা সম্পর্কে নিম্নরূপ বলা হয়েছে:
কোন প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে মালিক অর্থ এমন কোন ব্যক্তি যিনি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক নিয়োগ করেন এবং নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণ ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবেন যথা-
১) উক্ত ব্যক্তির কোন উত্তরাধিকারী অভিভাবক হস্তান্তর মূলে উত্তরাধিকারী বা আইনগত প্রতিনিধি।
২) উক্ত প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক বা উহার ব্যবস্থাপনা বা নিয়ন্ত্রণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি।
৩) সরকার কর্তৃক বা সরকারের কর্তৃত্বাধীন পরিচালিত কোন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এতদ উদ্দেশ্যে নিয়োজিত কোন কর্তৃপক্ষ অথবা এরূপ কোন কর্তৃপক্ষ না থাকিলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের প্রধান।
৪) কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বা উহার পক্ষে পরিচালিত কোনো প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এত উদ্দেশ্য নিয়োজিত কোন কর্মকর্তা অথবা এরূপ কোন কর্মকর্তা না থাকলে উহার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
৫) অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, ওভার মালিক এবং উহার প্রত্যেক পরিচালক, ব্যবস্থাপ ক সচিব প্রতিনিধি অথবা উহার কাজ কর্মের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত কোন কর্মকর্তা বা ব্যক্তি।
৬) মালিক ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তির দখলে আছে এরূপ কোন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, উক্ত প্রতিষ্ঠান দখলকারী ব্যক্তি অথবা উহার নিয়ন্ত্রণকারী চূড়ান্ত ব্যক্তি অথবা ব্যবস্থাপক অথবা উক্ত কাজের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত কোন উপযুক্ত কর্মকর্তা।
২.৮। কখন তালাবদ্ধ ও ধর্মঘট বেআইনি হয়?
কোন ধর্মঘট বা লকআউট বিভিন্ন কারণে বেআইনি বলে গণ্য হয়। বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ২২৭ ধারা অনুযায়ী নিম্নের কাজ গুলি সংঘটিত হলে কোন ধর্মঘট বা লক আউট বেআইনি বলে গণ্য হবে।
১) বিরোধী জড়িয়ে কোন পক্ষকে নির্ধারিত পন্থায় ধর্মঘট বা লক আউটের নোটিশ প্রদান না করলে।
২) নোটিশ প্রধান করা হলেও নোটিশে উল্লিখিত তারিখের পূর্বে ধর্মঘট বাল লক আউট শুরু করবে।
৩) নোটিশে উল্লেখিত তারিখের পরে ধর্মঘট বা লগ আউট অব্যাহত রাখলে।
৪) শিল্প বিরোধ সংক্রান্ত কোনো বিষয় সালিশি কার্যক্রম চলার সময় অন্য পক্ষকে নোটিশ জারি করলে।
৫) শ্রম আদালতে মামলা চলার সময় অন্য পক্ষকে নোটিশ জারি করলে।
৬) ট্রাইবুনালে কোন আপিল চলার সময় অন্য কোন পক্ষকে নোটিশ জারি করলে।
৭) নির্ধারিত পন্থা ব্যতীত অন্য যেকোনো পন্থায় সৃষ্টি হওয়ার শিল্পবিরোধকে কেন্দ্র করে ধর্মঘট বা lockout ঘোষণা করলে বা অব্যাহত রাখলে।
৮) ২১১ এবং ২২৬ ধারার কোন বিধান লঙ্ঘন করে ধর্মঘট বা লক আউট অব্যাহত রাখলে।
৯) কোন রয়েদার বা নিষ্পত্তি বলবৎ থাকাকালে তার অন্তর্ভুক্ত কোন বিষয়ে তা ঘোষণা করলে, বা শুরু করলে বা ভদ্র রাখলে।
১০) কোন বেআইনি ধর্মঘটের ফলে লকআউট বা তারাবুদ্ধ করলে উক্ত lockout বা তালাবদ্ধ বেআইনি বলে গণ্য হবে না।
আবার কোন বেআইনি লকআউট বা তারা বৌদ্ধের ফলে ধর্মঘট করলে উক্ত ধর্মঘট বেআইনি বলে গণ্য হবে না।
২.৯। কখন শ্রম আদালত বা ট্রাইব্যুনাল তালাবদ্ধ ও ধর্ম নিষিদ্ধ করতে পারে।
বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ২২৬ ধারা অনুযায়ী যে সকল কারণে শ্রম আদালত বা ট্রাইবুনাল বেআইনি ধর্মঘট ও বেআইনি লোকআউট বন্ধ বা নিষিদ্ধ করতে পারে তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো:
১) শ্রম আদালত কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষণা:
শিল্প বিরোধ অনুসারে ধর্মঘট ও লক আউট শুরু হলে শ্রম আদালতে দরখাস্ত পেশ করলে শ্রম আদালত লিখিত আদেশ দ্বারা উক্ত ধর্মঘট বা লকআউট নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন। ( ধারা ১২৬/১)
২) ট্রাইবুনাল কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষণা:
শিল্প বিরোধ বিষয়ে ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়ের করা হলে ট্রাইবুনাল আপীল দায়েরের তারিখ থেকেই শিল্প বিরোধ অব্যাহত আছে এরূপ ধর্মতবা লক আউট চালিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন। ধারা- ১২৬ (২)।
২.১০। বেআইনি তালাবদ্ধ ও ধর্মের জন্য ইহার উস্কানির জন্য শাস্তির বিধান গুলি কি কি?
শ্রমিক পক্ষ বা মালিকপক্ষ যদি বেআইনি ধর্মঘট বা লক আউট করে থাকে তাহলে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ২৯৪ ধারা নিম্নোক্ত শাস্তি হতে পারে-
১) কোন শ্রমিক বেআইনি ধর্মঘট বা লক আউট শুরু করলে বা চালিয়ে গেলে বা তা এগিয়ে নেওয়ার জন্য কোন কাজ করলে-
* এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা,
*৫০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা
*উভয় দণ্ড হতে পারে
২) কোন মালিক বেয়াইনি ধর্মঘট বা লক আউট শুরু করলে বা চালিয়ে গেলে বা তা এগিয়ে নেওয়ার জন্য কোন কাজ করলে -
* এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
৩) কোন ব্যক্তি বেআইনি ধর্মঘট বা লকআউট এ অংশগ্রহণের জন্য বা অর্থ খরচ সরবরাহের জন্য বা যেকোনো ভাবে এগিয়ে নেয়ার জন্য কোন ব্যক্তিকে উৎসাহিত করলে-
এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় যন্ত্র হতে পারে
২.১১ ধর্মঘট ও লক আউটের পার্থক্য।
১) সংজ্ঞাগত: কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে নিযুক্ত একদল লোক কতৃক সঙ্ঘবদ্ধ ভাবে কাজ বন্ধ করা বা কাজ করতে অস্বীকৃতি জানানো হলো ধর্মঘট।
পক্ষান্তরে প্রতিষ্ঠানের মালিক কর্তৃক কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা বা প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ অংশ বা একাংশ বন্ধ করে দেওয়াকে লক আউট বলে।
২) প্রতিশব্দ গত: ধর্মঘটের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো strike । পক্ষান্তরে লগ আউট বা তালাবদ্ধের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো lock out।
৩) ধারা গত: বাংলাদেশ শ্রম আইন 2006 এর ২(২২) ধারা ধর্মঘটের উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর দুই এর 57 ধারায় লকআউটের উল্লেখ করা হয়েছে.
৪) সংগঠন গত: সাধারণ শ্রমিক কর্তৃক ধর্মঘট পালন করা হয়। পক্ষান্তরে মালিক বা শ্রমিক পক্ষ থেকে লক আউট করা হয় ।
৫) আহ্বান গত: সাধারণত মালিকের বিরুদ্ধে ধর্মঘট ডাকা হয়। পক্ষান্তরে লগ আউট শ্রমিক মালিক উভয়ের বিরুদ্ধে হতে পারে।
২.১২ বেআইনি ধর্মঘটের কারণে কোন শ্রমিককে অবসানের সকল সুবিধা সহ চাকরি অবসান করা হলে এর কি কি আইনত দিক রয়েছে?
শ্রম আইন অনুযায়ী কোন শ্রমিকের চাকুরী অবসানের আদেশ হলে তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করা যাবে না।
আর যদি বেআইনি ধর্মঘটের কারণে চাকুরী অবসর হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগই করা যাবে না। ( ধারা ২৬)
কিন্তু শ্রমিকের চাকরির অবসান যদি ট্রেড ইউনিয়নের কার্যকলাপের কারণে হয় বা উদ্দেশ্য প্রমাণিত হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে শ্রম ও আদালতে অভিযোগ করা যাবে। ( ধারা ৩৩)
সুতরাং বলা যায় বেআইনি ধর্মঘটের কারণে যদি কোন শ্রমিকের চাকুরীর অবসান হয় তাহলে তার আইনগত কোন প্রতিকার নেই।
No comments:
Post a Comment