Friday, March 31, 2023

চতুর্থঃ প্রধানমন্ত্রী

৪.১।   বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নিয়োগ পদ্ধতি কি ?

৪.২   বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলী আলোচনা কর। 

৪.৩।   প্রধানমন্ত্রী কিভাবে ক্যাবিনেট গঠন পরিচালনা ও তার পতনের মূল ব্যক্তি?

৪.৪।   জাতীয় সংসদ সদস্য নন এমন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের মন্ত্রী অথবা প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন কি? ব্যাখ্যা দাও। 

৪.৫। মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার কাকে বলে?/ সংসদীয় সরকার।

৪.৬ সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনের পর প্রধানমন্ত্রী এখন কি কি ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?



১.৭১।   বাংলাদেশ সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ এর কারণে মন্ত্রীদের যৌথ দায়িত্ব শীলতা নিশ্চিত করা কি সম্ভব?


৪.১।   বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নিয়োগ পদ্ধতি কি ?

যে সকল দেশের মন্ত্রী পরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু আছে সেই সকল দেশের প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতার মূল ব্যক্তি। বাংলাদেশের মন্ত্রী পরিষদ শাসিত ব্যবস্থা প্রচলিত। সুতরাং সরকারের ক্ষমতার মূল কেন্দ্রবিন্দু হল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করেই ক্ষমতা পরিচালিত হয়। বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৫ থেকে ৫৮ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলী উল্লেখিত হয়েছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নিয়োগ পদ্ধতি: 
নিম্নে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ পদ্ধতি উল্লেখ করা হলো: 
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হলেন মন্ত্রী পরিষদ ও সংসদের মূল ব্যক্তি। যে তিনি রাষ্ট্রপতির চেয়ে অনেক বেশি ক্ষমতা ভোগ করেন। সংবিধানের ৫৬ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রধান অথবা অধিকাংশ আস্থাভাজন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করবেন। 
অর্থাৎ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে সেই দলের প্রধান কে বা অধিকাংশ সংসদ সদস্যের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করবেন।

৪.২   বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলী আলোচনা কর। 

১) সংসদ নেতা: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হলেন জাতীয় সংসদের নেতা। জাতীয় সংসদে তিনি যে বিবৃতি প্রদান করবেন তা সরকারের নীতি হিসেবে গণ্য হয়। মন্ত্রিপরিষদের মধ্যে কোন বিরোধ দেখা দিলে তিনি তার নিষ্পত্তি করে থাকেন। 

২) নিয়োগ সংক্রান্ত ক্ষমতা: প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতির নিয়োগ ছাড়া রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সকল নিয়োগের প্রধানমন্ত্রীর মতামত মূলত প্রতিফলিত হয়। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতির নিয়োগ ছাড়া  রাষ্ট্রপতি অন্যান্য যত নিয়োগ দেন তা প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ অনুযায়ী দিয়ে থাকেন। এটি রাষ্টপতির সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা।

৩) পদচ্যুত সংক্রান্ত ক্ষমতা: রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সকল পদচ্যুতিতেও প্রধানমন্ত্রীর মতামতি মূলত প্রতিফলিত হয়। অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি যে সকল পদচ্যুতি ঘটান তা প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ অনুযায়ী ঘুরিয়ে থাকেন। এটি রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। 

৪) মুরগির পরিষদের দপ্তর বন্টন:
প্রধানমন্ত্রী মূলত অন্যান্য মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বন্টন করে থাকেন। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ কিছু মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

৫) রাষ্ট্রপতির পরামর্শদাতা: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করে থাকেন। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি যে কোন কাজে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী বাস্তবায়ন করে থাকেন। 

৬) মন্ত্রীদের কাজের ব্যাখ্যা: প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন মন্ত্রী ওভারপ্রতি মন্ত্রীদের কার্যাবলী রাষ্ট্রপতি নিকট ব্যাখ্যা করেন।

৭) চরমাধিকার প্রয়োগ: রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের চরম অধিকার মূলত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী প্রয়োগ করে থাকেন ‌‌। কারণ সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া রাষ্ট্রপতি কাউকে ক্ষমা করতে পারেন না।

৮) মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ: কোন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠলে প্রধানমন্ত্রী তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন.
৯) বৈদেশিক নীতি নির্ধারণ: বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে বৈদেশিক নীতি কি হবে তা প্রধানমন্ত্রী ঠিক করে থাকেন।
১০) সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় সেই দল সরকার গঠন করে। অর্থাৎ সংঘরিষ্ঠ দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন।

১১) কেবিনেট নেতা: প্রধানমন্ত্রী যেহেতু সরকার প্রধান সেহেতু তিনি কেবিনেটেরও নেতা হিসেবে গণ্য হন।


৪.৩।   প্রধানমন্ত্রী কিভাবে ক্যাবিনেট গঠন পরিচালনা ও তার পতনের মূল ব্যক্তি?

সংবিধানের ৫৩ এর তিন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রধান অথবা অধিকাংশের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করবেন। 

৫৬ এর দুই অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও অন্যান্য মন্ত্রী উপমন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ করবেন।

কেবিনেট পরিচালনা: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হলেন জাতীয় সংসদের নেতা। জাতীয় সংসদে তিনি যে বিবৃতি প্রদান করবেন তা সরকারের নীতি হিসেবে গণ্য হয়। যে মন্ত্রী পরিষদের মধ্যে কোন বিরোধ দেখা দিলে তিনি তার নিষ্পত্তি করে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী সাথে মতবিরোধ দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়। মন্ত্রীগণ তাদের কাজের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট দায়ী থাকেন।

কেবিনেট পতন:
সংবিধানের ৫৭ এর দুই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের সমর্থন হারালে পদত্যাগ করবেন।

সংবিধানের ৫৮ ৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন অথবা স্বীয় পদে বহাল না থাকলে সকল মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন বলে গণ্য হয়। অর্থাৎ মন্ত্রী পরিষদ বাতিল হয়ে যাবে। ‌

সুতরাং বলা যায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কেবিনেট গঠন পরিচালনা ও তার পতনের মূল ব্যক্তি।। 

৪.৪।   জাতীয় সংসদ সদস্য নন এমন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের মন্ত্রী অথবা প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন কি? ব্যাখ্যা দাও। 

সংসদ সদস্য না হয়েও মন্ত্রিসভার সদস্য হওয়া যায় বা মন্ত্রী হওয়া যায়। ্য এদেরকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী বলা হয়। এছাড়া উপমন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীদের কে প্রধানমন্ত্রী ইচ্ছা করলে মন্ত্রী বানাতে পারেন। তবে সে ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যের সর্বোচ্চ ১০ ভাগের এক ভাগ হতে পারবে। (বাংলাদেশ সংবিধান অনুচ্ছেদ ৫৬ এর ১)


অর্থাৎ সংসদ সদস্য না হয়েও বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী হওয়া যায়। এখানে দ্বিতীয় প্রশ্ন হলো-সংসদ সদস্য না হয়েও প্রধানমন্ত্রী হতে; হওয়া যায় কিনা?

এ বিষয়ে সংবিধানের ৫৬ এর তিন অনুচ্ছেদে স্পষ্ট বিধানে উল্লেখ রয়েছে। যে সংসদ সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতিমান হইবেন। রাষ্ট্রপতি তাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করবেন। ( বাংলাদেশ সংবিধান অনুচ্ছেদ ৫৬ -৩)।
এই অনুচ্ছেদের সারমর্ম হল- যে সংসদ সদস্য অধিকাংশ সংসদ সদস্যদের নিকট আস্থাভাজন, রাষ্ট্রপতি তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করবেন। 
তাহলে সংসদ সদস্য না হয়েও প্রধানমন্ত্রী হওয়া যেত। কিন্তু এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্যকেই অধিবেশনে সদস্য হওয়ার আস্থাভাজন হতে হবে। এবং তাকে রাষ্ট্র পতি প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করবেন। 
বলা যায় জাতীয় সংসদের সদস্য নয় এমন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের মন্ত্রী হতে পারবেন কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না।



৪.৫) মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার কাকে বলে?/ সংসদীয় সরকার।

যে শাসনতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় মন্ত্রী পরিষদ কর্তৃক শাসন কার্য পরিচালিত হয় এবং মন্ত্রী পরিষদ তার কাজের জন্য আইনসভার নিকট ব্যক্তিগতভাবে এবং যৌথভাবে দায়ী থাকে তাকে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার বলে ‌‌একে সংসদীয় সরকার ও বলা হয়।  

মন্ত্রী পরিষদ শাসন ব্যবস্থা মন্ত্রী পরিষদ হল প্রকৃত শাসক। এর শীর্ষে থাকেন প্রধানমন্ত্রী। মন্ত্রী পরিষদ শাসন ব্যবস্থায় নামমাত্র একজন রাষ্ট্রপতি থাকেন। তার হাতে উল্লেখযোগ্য কোন ক্ষমতা থাকে না ‌‌। প্রকৃত ক্ষমতা থাকে মন্ত্রিসভার নিকট।  আর প্রথম মন্ত্রিসভার প্রধান সেহেতু তিনি সকল ক্ষমতার ভোগ করেন। তিনি একই সাথে সংশোধন নেতা এবং সরকারের ও প্রধান। যেমন -বাংলাদেশ, ভারত ,কানাডা।


৪.৬ সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনের পর প্রধানমন্ত্রী এখন কি কি ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?

১৯৯১ সালের ২রা জুলাই দ্বাদশ সংশোধনী বিলটি সংসদে উত্থাপন করা হয়। ওই বছর ৬ আগস্ট বিলটি সংসদে গৃহীত ও পাস হয়। দেশে পুনরায় সংসদীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কমানো হয়। এই সংশোধনী মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির মূলত স্বাধীনভাবে দুটি কাজ করার সুযোগ থাকে। আর তা হল-

১) অধিকাংশ সংসদ সদস্যের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ এবং
২) প্রধান বিচারপতি নিয়োগ

প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন ছাড়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারেন না। দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে মূলত সকল নির্বাহী ক্ষমতাপ্রধান ও মন্ত্রীসভার উপর ন্যাস্ত হয়। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের সীমাহীন ক্ষমতার মালিক হয়ে যান। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা যে অপজিদ্ধ করে তোলা হয়েছে। নিম নেতা উল্লেখ করা হলো: 

১) টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ: দ্বাদশ সংশোধনের পূর্বে প্রধানমন্ত্রী টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ করতে পারতেন। তবে তা মোট মন্ত্রীর এক তৃতীয়াংশের বেশি হবে না। কিন্তু দ্বাদশ সংশোধনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ৯.১০ মাংস সংসদ সদস্যদের মধ্যে থেকে মন্ত্রী নিয়োগ করতে পারবেন এবং অনধিক একদশমাংশ সদস্য হওয়ার যোগ্য এমন ব্যক্তি মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করতে পারবেন।

দলের বিপক্ষে ভোট দিলে সদস্য বোধ বাতিল:
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি সংসদের নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিলে তা সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়ে যাবে।

ভোট দানের ক্ষেত্রে নীরব থাকলে সদস্য পদ বাতিল:

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোন সংসদ সদস্য সংসদে তার দলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া তো দূরের কথা নিজের দলের কোন প্রস্তাব পছন্দ না হলেও তার পক্ষে ভোট দিতে হবে। অর্থাৎ কোন সংসদ সদস্য তার দলের ভোট না দিয়ে নীরব থাকলেও তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়ে যাবে। 

উপরোক্ত বিধানের মাধ্যমে মূলত প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করা হয়েছে । কারণ প্রধানমন্ত্রী একদিকে সংসদের নেতা আবার তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ সদস্য নেতা। তিনি সংসদে কোন প্রস্তাব আনয়ন করলে বা তার পক্ষে কোন প্রস্তাব আনা হলে তার দলের সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ সদস্য তার স্বপক্ষে ভোট দিতে বাধ্য অর্থাৎ উক্ত প্রস্তাব অনুমোদন হবেই।


উপসংহার: সাংবিধানিকভাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অসীম ক্ষমতার অধিকারী। রাষ্ট্রপতি ও তার সকল কাজ প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন নিয়ে করেন। শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত। সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতা কিছুটা হ্রাস করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে পুনরায় সেই ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়। 

No comments:

Post a Comment