২) আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিমকোর্টকে কেন সংবিধানের অভিভাবক হিসেবে গণ্য করা যায়? / নাগরিক অধিকারের রক্ষক ও সংবিধানের অভিভাবক হিসেবে আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকা কি?
৩) আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিগণ কিভাবে নিয়োগ পান?
৪ ) সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক গঠন ক্ষমতা কার্যাবলী ও অদিক্ষেত্র আলোচনা কর।
৫) বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা বলতে কি বুঝ?
৬ ) আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টের বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা আলোচনা কর।
৭) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের গঠন, ক্ষমতা ও কার্যাবলী আলোচনা কর।
৮) সিনেটের ক্ষমতা বৃদ্ধির কারণ কি?
৯) আমেরিকার প্রেসিডেন্টের সাথে ইহার সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।
১০) ক্ষমতা পৃথকীকরণ নীতি ব্যাখ্যা:
১) যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর / আমেরিকার ফেডারেল সংবিধানের প্রধান বৈশিষ্ট্য কি কি?
নিম্নে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সংবিধানের প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হলো:
১) লিখিত: যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান একটি লিখিত সংবিধান।
২) প্রস্তাবনা ও ধারা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের একটি প্রস্তাবনা ও সাতটি ধারা রয়েছে।
৩) ক্ষুদ্র সংবিধান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এটি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম সংবিধান। মাত্র সাতটি ধারা নিয়ে এই সংবিধান গঠিত।
৪) স্পষ্ট সংবিধান: লিখিত সংবিধান সাধারণত স্পষ্ট হয়ে থাকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান একটি লিখিত সংবিধান এবং এটি সহজ সরল ভাষায় রচিত যার ফলে এতে অস্পষ্ট তা নেই।
৫) দোষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান: যেকোনো লিখিত সংবিধান দোষ্পরিবর্তনীয়। কারণ এই ধরনের সংবিধান সংশোধনের বা পরিবর্তন করতে হলে বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে করতে হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান লিখিত হয় তেমনি দুষ্পরিবর্তনের একটি সংবিধান।
৬) রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা:
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী সেখানে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত। রাষ্ট্রপতি একধারে রাষ্ট্র এবং সরকার প্রধান।
৭) দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা:
যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা অধি কক্ষ বিশিষ্ট। একটি নিম্ন কক্ষ আরেকটি উচ্চ কক্ষ। নিম্নকক্ষের নাম প্রতিনিধি পরিষদ। উচ্চকক্ষের নাম সিনেট।
৮) মৌলিক অধিকার রক্ষা: যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দ্বারা দেশের জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা করা হয়েছে।
৯) ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ: যুক্তরাষ্ট্র সংবিধান দ্বারা বিভিন্ন বিভাগ যেমন বিচার বিভাগ শাসন বিভাগ আইন বিভাগ ইত্যাদি ক্ষমতা ভাগ করে দেয়া হয়েছে।
১০) সাংবিধানিক প্রাধান্য: সংবিধান হলো যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের সর্বোচ্চ আইন। সংবিধানের পরিববন্ধু কোন আইন প্রণয়ন করা যায় না এরূপ বলে আদালত তা বাতিল করতে পারে।
২) আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিমকোর্টকে কেন সংবিধানের অভিভাবক হিসেবে গণ্য করা যায়? / নাগরিক অধিকারের রক্ষক ও সংবিধানের অভিভাবক হিসেবে আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকা কি?
বাংলাদেশের সংবিধানে যেমন নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষিত হয়েছে তেমনি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ও নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষিত আছে। কেউ এই মৌলিক অধিকার ভঙ্গ করতে পারে না।
যদি কেউ এই মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে এমনকি অঙ্গরাজ্য বা কংগ্রেসও যদি কারো মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সুপ্রিম কোর্টের নিকট বিচার চাইতে পারেন। সুপ্রিম কোর্ট উক্ত বিষয় বিচার করেন। অর্থাৎ কোন নাগরিক মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করা হলে তা রক্ষা করার একমাত্র প্রতিষ্ঠান সুপ্রিম কোর্ট।
আইন পরিশোদ কর্তৃক প্রণীত আইন, বিচার বিভাগ কর্তৃক প্রণীত বিধি-বিধান সংবিধান সংরক্ষিত কিনা তা সুপ্রিম কোর্ট পর্যালোচনা করতে পারে। একে বলে বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা । যদিও বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা বিধান সংবিধানের সুস্পষ্ট লিপিবদ্ধ নেই তবুও এটি মামলার মাধ্যমে এর গুরুত্ব অনুধাবন করা যায়।
একটি মামলায় 1789 সালে জুডিশিয়ারি এক্টের একটি ধারা সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মার্শাল বলেছিলেন' যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান হলো সর্বোচ্চ আইন। সংবিধান আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইনের ঊর্ধ্বে অবস্থান করে। এই সংবিধানকে রক্ষা করার জন্য বিচারপতিদের শপথ গ্রহণ করতে হয়। সুতরাং আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বিচার করার ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টে রয়েছে।
সুতরাং বলা যায় নাগরিক অধিকার রক্ষক ও সংবিধানের অভিভাবক হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকা অপরিসীম।
৩) আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগ বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের গঠন।
নিম্ন তো ভাবে আফ্রিকার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগ বা সুপ্রিম কোর্টের গঠন করা হয়।
ক) মার্কিন সিনেটের সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি একজন প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেন
খ) সিলেটের সুপারিশ ক্রমে রাষ্ট্রপতি আরও আটজন বিচারপতি নিয়োগ করেন।
গ) বিচারপতিদের নিয়োগের সময় তাদের মেধা অভিজ্ঞতা সততা ব্যক্তিত্ব বিবেচনা করা হয়।
ঘ) ছয়জন বিচারপতি নিয়ে কোরাম গঠিত হয়।
ঙ) বিচারপতিদের সাধারণত করা যায় না। একমাত্র ইমপিচমেন্ট দ্বারা বিচারপতিকে পদচ্যুত করা যায়।
চ) সুপ্রিম কোর্টের প্রধান কেন্দ্র ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
৪ ) সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক গঠন ক্ষমতা কার্যাবলী ও অদিক্ষেত্র আলোচনা কর।
১) সংবিধান ব্যাখ্যা করা: আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টই কেবল আমেরিকার সংবিধান ব্যাখ্যা করতে পারে সংবিধানের কোন জটিলতা দেখা দিলে সুপ্রিম কোর্ট তার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে থাকে।
২) আইনের বৈধতা দান: কোন ব্যক্তি যদি কোন আইন দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সুপ্রিম কোর্টের অভিযোগ করে উক্ত আইনটি অবৈধ তাহলে সুপ্রিম কোর্ট সেই আইনের বৈধতা বিচার করতে পারে।
৩) আইনের অবৈধতা দান: আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট কোনো আইনকে অবৈধ ঘোষণা করতে পারে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচজন বিচারপতি যদি কোন আইনকে অবৈধ ঘোষণা করে তাহলে উক্ত আইন অবৈধ হয়ে যায়।
৪) সংবিধানের অভিভাবক; আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টের সংবিধানের অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করে। সুপ্রিম কোর্টই মূলত সংবিধান কে রক্ষা করে।
৫) রাষ্ট্রপতিকে নিয়ন্ত্রণ: সুপ্রিম কোর্ট আমেরিকার রাষ্ট্রপতিকে নির্দিষ্ট গতির মধ্যে কাজ করতে বাধ্য করে সুপ্রিম কোর্টের কারণে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছা করলে যা ইচ্ছা তাই করতে পারে না।
৬) কংগ্রেসকে নিয়ন্ত্রণ: সুপ্রিম কোর্ট আমেরিকার রাষ্ট্রপতির ন্যায় কংগ্রেসকে নিয়ন্ত্রণ ও নির্দিষ্ট গতির মধ্যে কাজ করতে বাধ্য করে।
৭) জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা,: পৃথিবীর অন্যতম দেশের ন্যায় আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট দেশের জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা করে থাকে।
৮) প্রতিষ্ঠানের উপর তদারকি: আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য কেন্দ্রীয় সরকার স্থানীয় সরকার ইত্যাদি সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে এবং তাদের তদারক করছে।
৫) বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা বলতে কি বুঝ?
বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা:
আইন অনুযায়ী কোন কাজকে কার্যকরযোগ্য অথবা অকার্যকর যোগ্য বলে ঘোষণা দেয়া কে বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা বলে।
আন্তর্জাতিক সমাজবিজ্ঞান বিশ্বকোষ অনুযায়ী- যে পদ্ধতির মাধ্যমে কোন বিচার বিভাগীয় সংস্থা, দেশের আইনসভা কর্তৃক কোন কার্য ব্যবস্থার বৈধতা নিরূপণ করা হয় তাকে বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা করে।
৬ ) আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টের বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা আলোচনা কর।
নিমরে আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টের বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা: মূলত বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা কোন দেশের জন্য অমঙ্গলজনক নয়। দেশের মঙ্গলের জন্যই বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা করা হয়ে থাকে।
১) সংবিধান ব্যাখ্যা করা;
আমেরিকার সুপ্রিমকোর্টই কেবল আমেরিকার সংবিধান ব্যাখ্যা করতে পারে। সংবিধানে কোন জটিলতা দেখা দিলে সুপ্রিমকোর্ট তার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে থাকে।
২) আইনের বৈধতা দান: কোন ব্যক্তি যদি কোন আইন দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সুপ্রিম কোর্টের অভিযোগ করে যে উক্ত আইনটি অবৈধ, তাহলে সুপ্রিম কোর্ট সেই আইনের বৈধতা বিচার করতে পারে।
৩) আইনকে অবৈধ ঘোষণা: আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট কোনো আইনকে অবৈধ ঘোষণা করতে পারে । সুপ্রিম কোর্টের পাঁচজন বিচারপতি যদি কোন আইনকে অবৈধ ঘোষণা করে তাহলে উক্ত আইন অবৈধ হয়ে যায়।
৪) জণগনর মৌলিক অধিকার রক্ষা:
আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট দেশের জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা করে থাকে।
আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টের বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনার ক্ষমতা সংবিধান স্পষ্ট লিখিত হয়নি কিন্তু আমেরিকার সংবিধানের ৬ অনুচ্ছেদ এই ক্ষমতার ইঙ্গিত রয়েছে।
৭) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের গঠন, ক্ষমতা ও কার্যাবলী আলোচনা কর।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট গঠন:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা বা কংগ্রেসের দ্বিতীয় পক্ষের নাম সিনেট। সিনেট মার্কিন শাসন ব্যবস্থার সবচেয়ে শক্তিশালী ও মর্যাদাশীল সংস্থা। পূর্বে চীনের সদস্যগণ প্রাদেশিক আইনসভার সদস্য কর্তৃক নির্বাচিত হতেন বর্তমানে জনগণের পক্ষে ভোটের সিলেট সদস্য নির্বাচিত হন জনগণ ও আয়তন যাই হোক না কেন প্রত্যেক অঙ্গরাজ্য থেকে দুজন চীনের সদস্য নির্বাচিত হবেন সদস্যগণ 6 বছরের জন্য নির্বাচিত হন। প্রতি দুই বছর পর পর এক-তৃতীয়াংশ সদস্য অবসরে যান। বর্তমানে সিনেট সদস্য সংখ্যা ১০২।
এছাড়াও সিনেট সদস্য হতে হলে যা প্রয়োজন তা হল:
১) তার বয়স হতে হবে ৩০ বছর
২); নয় বছর যুক্তরাষ্ট্রের বসবাস থাকতে হবে
৩) যে অঙ্গরাজ্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সে সেই রাজ্যের নাগরিক হতে হবে।
প্রতিবছরই সিনটের অধিবেশন বসেন। তাছাড়া প্রয়োজন হলে প্রেসিডেন্ট বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করতে পারেন।
৭) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সিলেটের ক্ষমতা ও কার্যাবলী। সিলেট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের দ্বিতীয় কক্ষ হলেও ক্ষমতার দিক দিয়ে এটি দ্বিতীয় নয় প্রথম। বিশ্বের দ্বিতীয় কক্ষের মধ্যে এটি শক্তিশালী হিসেবে গণ্য । নিম্নে এর ক্ষমতা ও কার্যাবলী আলোচনা করা হলো।
১) আইন প্রণয়ন: সিনেট সভা আইন প্রণয়ন করে থাকে। সকল সাধারণ বিল সিনৈট সভায় উত্থাপিত হয়। প্রতিনিধি সভায় যে বিল উত্থাপিত করা হয় তাতে সিলেটের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। সিলেট যে কোন বিলকে প্রত্যাখ্যান করতে পারে আর চীনের কোন বিল প্রত্যাকন করলে সেটি আর আইনে পরিণত হতে পারে না।
২) বিচার সংক্রান্ত: সিলেট বিচার সংক্রান্ত কাজেও করে থাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কে তার কোন কাজের জন্য একমাত্র সিনাট অভিযুক্ত করতে পারে।
৩) নিয়োগ: সিলেটের অন্যতম কাজ হলো বিভিন্ন প্রকার নিয়োগ দান করা। প্রেসিডেন্ট যখন কোন অঙ্গরাজ্যে কোন নিয়োগ দেন তখন সেই অঙ্গরাজ্য সিলেট এর সাথে পরামর্শ দেন এটি হলে সিলেটের সৌজন্যমূলক আচরণ
৪);চুক্তি ও সন্ধি অনুমোদন: প্রেসিডেন্ট কোন চুক্তি বা সন্ধি করলে তাদের সিলেটের অনুমতি প্রয়োজন। এটি হলো সিনেটের সৌজন্যমূলক আচরণ
৫); আলাপ আলোচনার অনুরোধ : কোন বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে কোন বিষয়ে আলাপ-আলোচনার প্রয়োজন হলে সিলেট প্রেসিডেন্ট কে তা জন্য অনুরোধ করতে পারে
৬) সংবিধান সংশোধনের ভূমিকা: সিনেট সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রতিনিধি পরিষদের সাথে যৌথভাবে অংশগ্রহণ করে।
৭! নির্বাচন: সিলেট নিজের সদস্যদের নির্বাচনের বৈধতা ও যোগ্যতা বিচার করতে পারে।
৮) নতুন অঙ্গরাজ্য অন্তর্ভুক্তি করন: অঙ্গরাজ্য অন্তর্ভুক্ত করুন বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
৮) সিনেটের ক্ষমতা বৃদ্ধির কারণ কি?
নিম্নে সিনেট এর ক্ষমতার কারণ উল্লেখ করা হলো
১) আইন প্রণয়নে: অনেক দেশের উভয় কক্ষ সমান ক্ষমতা সম্পন্ন। রাশিয়া সুইজারল্যান্ড। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চকক্ষ নিম্ন কক্ষ থেকে অনেক বেশি ক্ষমতাশীল।
২) প্রশাসনিক ক্ষেত্র: ভারত ব্রিটেন সরকারের নিয়ন্ত্রণে ক্ষমতা নিম্নকক্ষের হাতে কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্টেও নিয়ন্ত্রণ করে । কারণ সিনেটের অনুমোদন ব্যতীত প্রেসিডেন্ট কোন নিয়োগ বা বৈদেশিক চুক্তি কার্যকর হয় না।
৩) বিচারের ক্ষেত্রে: ভারতের উচ্চ কক্ষ অভিযোগ করলে মা আনলে নিম্নপক্ষ তার বিচার করে কিন্তু মার্কিন সিলেটেই এই অভিযোগ আসলে তার অনুসন্ধান ও বিচার।
৯) আমেরিকার প্রেসিডেন্টের সাথে ইহার সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।
তাত্ত্বিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সিমের তথা কংগ্রেস থেকে স্বতন্ত্র।
কিন্তু বাস্তবিকভাবে প্রেসিডেন্ট ও সিনেট প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠ ভাবে যুক্ত। অনেক ক্ষেত্রেই প্রেসিডেন্ট কে সিনেটের উপর নির্ভর করতে হয়।
১) উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নিয়োগ করতে হলে প্রেসিডেন্ট কে সিনেট সাথে পরামর্শ করতে হয়।
২) অন্য দেশের সাথে কোন চুক্তি বা সন্ধির ক্ষেত্রে দুই বা তৃতীয়াংশ সিনেট সদস্যদের অনুমোদন প্রয়োজন। তা না হলে সেটি কার্যকর হয় না।
৩) প্রেসিডেন্ট যে অর্থের প্রয়োজন হয় তা সিনে ট কর্তৃক বরাদ্দকৃত।
৪) রাষ্ট্রপতি সিনেটের অনুমোদন সাপেক্ষে মন্ত্রী পরিষদ ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগ করেন।
সুতরাং বলা যায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ও চীনের বা কংগ্রেস প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠ ভাবে যুক্ত।
১০) ক্ষমতা পৃথকীকরণ নীতি ব্যাখ্যা:
শাসন ব্যবস্থা তিনটি বিভাগ রয়েছে। ক) শাসন বিভাগ, খ) আইন বিভাগ, গ) বিচার বিভাগ।
এই তিনটি বিভাগ সম্পূর্ণ স্বতন্ত্রীকরনই হলো ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ নীতি। এই তিন বিভাগ সম্পর্কে নিম্নে উল্লেখ করা হলো:
১) শাসন বিভাগ: সরকারের যে সকল বিভাগ কার্যক্ষেত্রে আইন প্রয়োগ করে দেশের শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখে ও আইন অমান্যকারীকে আটক করে বিচারের জন্য বিচার বিভাগের নিকট শব্দ করে তাকেই শাসন বিভাগ বলে।
২/ আইন বিভাগ: সরকার যে বিভাগে রাষ্ট্রের জন্য আইন প্রণয়ন করে থাকে তাকে পরবর্তী পরিবর্তন বা পরিবর্তন করে তাকে আইন বিভাগ বলে।
৩) বিচার বিভাগ: সরকারের যে সকল ভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে যে ব্যক্তি ও শাসকগণ এর মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয় তার বিচার করে মীমাংসা করার অতঃপর অপরাধী দণ্ডিত হলে তাকে বিচার বিভাগ বলে।
৭) সিনেটরদের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা আছে কি? ব্যাখ্যা কর।
৯) আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস গঠন, ক্ষমতা ও কার্যাবলী পদমর্যাদা আলোচনা কর।
১১)
১২) যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থায় সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্ব ও ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।
১৩)
১৪) অনুসরণীয় মামলার উল্লেখপূর্বক ( মারবেরি বনাম মেডিসন মামলা) যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা ব্যাখ্যা কর।
১৫) বাংলাদেশে সুপ্রিম কোর্টে কি এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
১৬) সিনেটরদের সৌজন্যতা বলতে কি বুঝ?
১৭) কি মনে কর বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতিকে লঙ্ঘন করে?
১৮) আমেরিকার সংবিধান নিয়ন্ত্রণ এবং ভারসাম্যর একটি পদ্ধতি আলোচনা কর।
১৯) ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরন নীতি বাস্তবে সম্ভব ও নয় এবং অভিব্রত এবং নয়" মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য নীতির কার্যকারিতার আলোকে উক্তিটির উপর মন্তব্য করো।
২০) ব্রিটেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ নীতির প্রয়োগ আলোচনা কর।
২১) ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ উক্তিটি ব্যাখ্যা কর ।
২২) এই তথ্যটি ব্রিটেন এবং বাংলাদেশের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কতটুকু প্রয়োগ করা হয়েছে?
২৩) যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের তিনটি বিভাগ নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য ব্যবস্থা দ্বারা যুক্ত। উক্তিটির ধরতা নিরূপণ কর।
No comments:
Post a Comment