৪. ১. স্বাধীন সম্মতি বলতে কি বুঝ?
৪. ২. কি কি কারনে স্বাধীন সম্মতি খর্ব হয়।
৪. ৩. ব্যবসা নিরোধ মূলক চুক্তি বলতে কি বুঝ?
৪.৪. কোন চুক্তি ব্যবসা নিরোধমূলক চুক্তি বলে গণ্য হয়?
৪.৫. ব্যবসা নিরোধ চুক্তি কেন বাতিল হয়?/ যখন ব্যবসা নিরোধ চুক্তি বলে গণ্য হয়/ ব্যবসা নিরোধ চুক্তি বাতিলের কারন।
৪. ৬. ব্যবসা নিরোধ চুক্তি সীমারেখা কি?
৪.৭. জিম্মা চুক্তির সংজ্ঞা দাও।
৪.৮. জিম্মা চুক্তির বৈশিষ্ট্য / উপাদান।
৪.৯. জিম্মাদার/জিম্মাগ্রহীতা ও জিম্মাদাতার অধিকার ও কর্তব্যসমূহ/ দায়-দায়িত্ব আলোচনা কর। / কোন বস্তু জিম্মায় রাখতে কি ধরনের সাবধানতা জিম্মাদারের নিকট থেকে আশা করা যায়।
৪. ১. স্বাধীন সম্মতি বলতে কি বুঝ?
চুক্তির অন্যতম উপাদান হলো স্বাধীন সম্মতি, স্বাধীন সম্মতি ছাড়া কোন চুক্তি বৈধ হয় না। চুক্তির বৈশিষ্ট্য হলো এক পক্ষ প্রস্তাব প্রদান করবে আর অন্য পক্ষ তাতে সম্মতি প্রদান করবে। অর্থাৎ একপক্ষ প্রস্তাব প্রদান করার পর অন্য পক্ষ তাতে স্বাধীনভাবে সম্মতি প্রদান করলে সেটি আইনসম্মত চুক্তি বলে বিবেচিত হবে।
স্বাধীন সম্মতি :
চুক্তির অন্যতম প্রধান উপাদান হল স্বাধীন সম্মতি।
সম্মতি ছাড়া কোন চুক্তি হয় না।
এক পক্ষ প্রস্তাব পেশ করেন আর অন্য পক্ষ তাদের সম্মতি দেন। এভাবেই একটি চুক্তি হয়।
চুক্তি আইন অনুযায়ী,- দুই বা ততোধিক পক্ষ একই অর্থে মতৈক্য পৌঁছালে তাকে সম্মতি বলে। (ধারা- ১৩)
চুক্তি আইনে আরো বলা হয়েছে- কোন সম্মতি যদি বল প্রয়োগ, অনুচিত প্রভাব, মিথ্যা বর্ণনা, প্রতারণা ইত্যাদির বশবর্তী হয়ে প্রধান না হয় তাহলে তাকে সম্মতি বলে। ( ধারা ১৪)
উদাহরণ- 'ক' বল প্রয়োগ করে 'খ' কে একটি চুক্তি করতে বাধ্য করে। পরবর্তীতে 'খ' চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করলে উক্ত চুক্তি বাতিল হবে। কারণ 'ক' এখানে বল প্রয়োগ করেছে। অর্থাৎ 'খ' এর স্বাধীন সম্মতি ছিল না।
৪. ২. কি কি কারনে স্বাধীন সম্মতি খর্ব হয়।
যে সকল কারণে একটি স্বাধীন সম্মতির খর্ব হয় তা নিম্নে আলোচনা করা হলো:
১) শঠতা বা প্রতারণা: যদি কোন কথা বা কাজ অসত্য জেনেও কোন ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে বিশ্বাস করাতে চেষ্টা করে এই উদ্দেশ্য যে সে নিজে লাভবান হবে এবং অন্যকে ঠকাবে তাহলে তাকে শঠতা বা প্রতারণা বলে। (ধারা ১৭)
২) মিথ্যা বর্ণনা: যদি কোন ব্যক্তি অসত্য কথা বা কাজ নিজে সত্য জেনে অপর কোন ব্যক্তিকে বিশ্বাস করাতে চেষ্টা করে তাহলে তাকে মিথ্যা বর্ণনা বলে। (ধারা- ১৮)
৩) ভুল: কোন কিছু করতে যে চুক্তিভুক্ত পক্ষগণ যদি অন্য কিছু করে ফেলে তাহলে তাকে ভুল হিসেবে গণ্য করা হয়।
৪) বল প্রয়োগ: কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে কোন চুক্তিতে সম্মত হওয়ার জন্য অথবা আইনি নিষিদ্ধ এমন কোন কাজ করার জন্য ভীতি প্রদর্শন করে অথবা তার কোন সম্পত্তি আটক করে অথবা তার সম্পত্তি আটক করার ভয় দেখায় তাহলে তাকে বল প্রয়োগ বলে। (ধরা- ১৫)
৫) অনুচিত প্রভাব: চুক্তিভুক্ত পক্ষসমূহের মধ্যে বিশেষ সম্পর্কের কারণে একপক্ষ যদি অন্য পক্ষের উপর প্রভাব বিস্তার করে কিছু সুবিধা আদায় করে তাহলে উক্ত চুক্তি অনুচিত প্রভাব দ্বারা সম্পাদিত চুক্তি বলে গণ্য হবে। (ধারা -১৬)
৪. ৩. ব্যবসা নিরোধ মূলক চুক্তি বলতে কি বুঝ?
সাধারণত যে কোন ব্যক্তি আইন পরিপন্থী নয় এমন কোন ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে। কিন্তু যদি কোন ব্যক্তি এমন কোন চুক্তি করে যা বৈধ কোন ব্যবসা পরিচালনা করতে গিয়েও আইনি বাধার সম্মুখীন হতে হয় তাহলে তাকে ব্যবসা নিরোধক চুক্তি বলে।
৪.৪. কোন চুক্তি ব্যবসা নিরোধমূলক চুক্তি বলে গণ্য হয়?
যেসব চুক্তি ব্যবসা নিরোধ গণ্য হয় তা নিম্ন আলোচনা করা হলো:
১) ক্রেতা বিক্রেতার চুক্তি: যদি কখনো কোন ক্রেতা ও বিক্রেতা এই মর্মে চুক্তি করে যে, তারা একই এলাকায় নির্দিষ্ট ব্যবসা পরিচালনা করবে না তাহলে এটি ব্যবসা নিরোধ মূলক চুক্তি হবে।
২) চাকর ও মনিবের চুক্তি: চাকর ও মনিব যদি এমন চুক্তি করে যে, উক্ত চাকর চাকুরী ছেড়ে দিলেও নিজে কোন ব্যবসা করতে পারবে না তাহলে এটি ব্যবসা নিরোধ মূলক চুক্তি হবে।
৩) পারিশ্রমিক নিয়ন্ত্রণের চুক্তি: যদি কোন মালিক এমন কোন চুক্তি করে যা শ্রমিকদের পারিশ্রমিক নিয়ন্ত্রণ করে তাহলে এটি ব্যবসা নিরোধ মূলক চুক্তি হবে।
৪) বাজার নিয়ন্ত্রণে চুক্তি: যদি কোন ব্যক্তি বাজার নিয়ন্ত্রণের কোনো চুক্তি করে বা কৃত্রিম উপায়ে পণ্য উৎপাদন কমবেশি করার চুক্তি করে তাহলে এটি ব্যবসা নিরোধ মূলক চুক্তি হবে।
৪.৫. ব্যবসা নিরোধ চুক্তি কেন বাতিল হয়?/ যখন ব্যবসা নিরোধ চুক্তি বলে গণ্য হয়/ ব্যবসা নিরোধ চুক্তি বাতিলের কারন।
বিভিন্ন কারণে ব্যবসা নিরোধ চুক্তি বাতিল হতে পারে।
ব্যবসা পরিচালনা করার অধিকার যেকোনো ব্যক্তির রয়েছে। অর্থাৎ প্রত্যেক ব্যক্তির বৈধ ব্যবসা পরিচালনা করার অধিকার রয়েছে। এটি প্রত্যেকের মৌলিক অধিকার। আর এই অধিকারের হস্তক্ষেপ করা যায় না। কারণ সংবিধানে প্রত্যেকের মৌলিক অধিকারকে বলবৎ করা হয়েছে।
কোন ব্যক্তি যদি এমন কোনো চুক্তি করে যা অন্য কোন ব্যক্তির বৈধ কোন কাজের প্রতিবন্ধক, তাহলে সেই চুক্তি দ্বারা অন্যের মৌলিক অধিকার হস্তক্ষেপ হয়। সুতরাং ব্যবসা নিরূপমূলক চুক্তি বাতিল বলে গণ্য হয়।
সুতরাং চুক্তি আইনে অন্তত স্পষ্ট ভাষায় নানাবিধ আঙ্গিকে বর্ণিত রয়েছে যে' কারো আইনগত পেশা, বাণিজ্য, ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক সৃষ্টিকারী সম্মতি/চুক্তি বাতিল বলে গণ্য হবে।
অন্যের অধিকারের হস্তক্ষেপ হয় এমন চুক্তি বাতিল বলে গণ্য। সুতরাং অন্যের বৈধব্য ব্যবসায় ক্ষতি হয় এমন চুক্তি ও বাতিল। এই ধরনের চুক্তি ব্যবসা নিরোধ চুক্তি বলে গণ্য। কেউ ব্যবসা নিরোধ চুক্তি করলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
৪. ৬. ব্যবসা নিরোধ চুক্তি সীমারেখা কি?
নিম্নে ব্যবসা নিরোধ মূলক চুক্তির সীমারেখা আলোচনা করা হলো:
১) সুনাম বিক্রি: যদি কখনো কোন ব্যবসার সুনাম বিক্রি করা হয় এই শর্তে যে সুনাম ক্রেতা যতদিন নির্দিষ্ট এলাকায় ব্যবসা পরিচালনা করবেন ততদিন সুনাম বিক্রেতা ওই এলাকায় ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন না। তাহলে এই চুক্তি বৈধ হবে। তবে এই চুক্তির একটি যুক্তিসংগত সময় থাকতে হবে।
২) একই সময়ে একাধিক চাকরি: কোন ব্যক্তি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অন্য কোন ব্যক্তির অধীনে চাকরি করে এবং এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অন্য কোথাও চাকরি চুক্তি করে তাহলে উক্ত চুক্তিতে বাধা দেয়া যেতে পারে।
৩) অংশীদারী কারবার চলমান অবস্থায়: কোন অংশীদারী কারবার চলমান অবস্থায় অংশীদারগণ একই ধরনের ব্যবসা পরিচালনা করবে না বলে চুক্তি করতে পারে।
৪) অংশীদারি কারবারের অবসান হলে: কোন অংশীদারি কারবারের অবসান হলে অংশীদারগণ যুক্তিসঙ্গত এলাকায় এইরূপ ব্যবসা পরিচালনা করবে না বলে চুক্তি করতে পারে।
৪.৭. জিম্মা চুক্তির সংজ্ঞা দাও।
জিম্মা চুক্তি সংজ্ঞা: ইংরেজি Bailment এর বাংলা অর্থ জিম্মা। এটি কোন লেনদেনের একটি অংশ। জুম্মা চুক্তিতে একজন জিম্মা দাতা এবং একজন জিম্মাদার থাকেন। যিনি দ্রব্য প্রদান করেন তাকে জিম্মা দাতা বলে। আর যিনি দ্রব্য গ্রহণ করেন বা হেফাজতে রাখেন তাকে জিম্মাদার বলে।
চুক্তি চুক্তি ( Contract of Bailment):
ফেরত দানের শর্তে যদি কোন ব্যক্তি অপর ব্যক্তি নিকট কোন বস্তু গঠিত রাখে বা জমা রাখে তাকে জিম্মা চুক্তি বলে।
চুক্তি আইন অনুযায়ী- কোন ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে কোন বস্তু অর্পণ করে এই শর্তে যে , উদ্দেশ্য সাধন হয়ে গেলে উক্ত বস্তুটি তাকে ফেরত দিতে হবে অথবা তার নির্দেশ অনুযায়ী বিলি করতে হবে তাকে জিম্মা চুক্তি বলে।
যিনি বস্তু অর্পণ করেন তাকে জিম্মা দাতা বলে।
আর যিনি তা গ্রহণ করে তাকে জিম্মাদার বা জিম্মা গ্রহীতা বলে।
যেমন- 'ক' তার ব্যাগটি 'খ' এর কাছে জমা রাখে এই শর্তে যে, শহর থেকে ফিরে আসার পর 'খ' তাকে ব্যাগটি ফেরত দিবে।
৪.৮. জিম্মা চুক্তির বৈশিষ্ট্য / উপাদান।
নিম্নে জিম্মা চুক্তির বৈশিষ্ট্য বা উপাদান উল্লেখ করা হলো:
১) এক ধরনের চুক্তি: জিম্মা চুক্তি এক ধরনের চুক্তি। এই চুক্তি ব্যক্ত বা অব্যক্ত যেকোনো ধরনের হতে পারে।
২) বস্তু অর্পণ: জিম্মা দাতা কোন বস্তু জিম্মা গ্রহীতার নিকট অর্পণ করবে।
৩) বস্তু গ্রহণ: জিম্মা আগ্রহীতা জিম্মা দাতার বস্তু গ্রহণ করবেন।
৪) ফেরত দানের শর্ত: জিমা দাদা যে বস্তুটি অর্পণ করবেন উদ্দেশ্য সাধনের পর জিম্মা গ্রহীতা তা ফেরত দিবেন।
৫) অস্থাবর সম্পত্তি: অর্পণকৃত বস্তুটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হতে হবে।
৬) প্রতিদান অনুপস্থিত থাকতে পারে: চুক্তির ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রতিদান থাকে। কিন্তু জিম্মা চুক্তির ক্ষেত্রে প্রতিদান থাকতে পারে, না নাও থাকতে পারে।
৭) দখল হস্তান্তর: জিম্মা চুক্তির ক্ষেত্রে শুধু দখল অর্পণ করা হয়।
৪.৯. জিম্মাদার/জিম্মাগ্রহীতা ও জিম্মাদাতার অধিকার ও কর্তব্যসমূহ/ দায়-দায়িত্ব আলোচনা কর। / কোন বস্তু জিম্মায় রাখতে কি ধরনের সাবধানতা জিম্মাদারের নিকট থেকে আশা করা যায়।
১) দ্রব্যের মিশ্রণ না ঘটানো: জিম্মা দাতার দ্রব্য জিমাদার নিজের দ্রব্যের সাথে মিশ্রণ করবেন না।
২) জিম্মাদাতার সম্মতিতে মিশ্রণ ঘটনা: জিম্মা দাতা যদি সম্মতি প্রদান করে তাহলে জিম্মাদার তার নিজের দ্রব্যের সাথে জিম্মাদাতার দ্রব্যের মিশ্রণ ঘটাতে পারেন। আনুপাতিক হারে উভয়ের সত্ব ভোগ করে।
৩) জিম্মা দাতার বিনা অনুমতিতে মিশ্রণ ঘটালে: জিম্মাদার যদি জিম্মা দাতার বিনা অনুমতিতে দ্রব্যের মিশ্রণ ঘটায় তাহলে দুইটি অবস্থার সৃষ্টি হয়।
ক) মিশ্রিত দ্রব্য যদি পৃথক করা যায় তাহলে উভয়ে সত্ব ভোগ করবে এবং কোন ক্ষতি হলে জিম্মাদার তার জন্য দায়ী থাকবে।
খ) মিশ্রিত দ্রব্য যদি পৃথক করা না যায় তাহলে জিম্মা দাতা ক্ষতিপূরণের লাভের অধিকারী হবে।
৪) প্রয়োজনীয় যত্ন নেয়া: জিম্মাদার তার নিকট গচ্ছিত দ্রব্যের এমন যত্ন নিবেন যা একজন বিবেকবান ব্যক্তি নিয়ে থাকেন।
৫) পন্য ফেরত নেয়া: জিমাকৃত পণ্য জিম্মা দাতা যে কোন সময় ফেরত নিতে পারবেন। জিম্মা দাতা পণ্য ফেরত চাইলে জিম্মাদার তা দিতে বাধ্য থাকবেন।
৬) পণ্যে লাভ হলে তা ফেরত দেয়া: জিমাকৃত পণ্যে কোন লাভ হলে জিম্মাদাতার নির্দেশ মতো তা হস্তান্তর হবে।
৭) ভৃত্যের অবহেলার জন্য ক্ষতি হলে: জিম্মা দাদার বৃত্তের অবহেলার জন্য দ্রব্যের কোন ক্ষতি হলে তার জন্য জিম্মাদার দায়ী হবেন। এক্ষেত্রে জিম্মা দাতার কোন দায় থাকবে না।
৮) অনঅনুমোদিত ব্যবহারে ক্ষতি হলে: জিম্মা দাদার অনুমতি নেই এমন ক্ষেত্রে দ্রব্য ব্যবহার করার ফলে কোন ক্ষতি হলে জিম্মাদার দায়ী হবেন।
৯) দ্রব্যের ত্রুটি প্রকাশ করা: দ্রব্যে যদি কোন ত্রুটি থাকে এবং জিম্মা দাতার তা জানা থাকে তাহলে উক্ত ত্রুটি প্রকাশ করা উচিত।
১০) জিম্মাদার এর ক্ষতির জন্য দায়ী: দ্রব্য ফেরত নেয়ার ফলে যদি জিম্মাদারের ক্ষতি হয় তাহলে জিম্মা দাতা তার জন্য দায়ী হবেন।
১১) প্রয়োজনীয় খরচ পরিশোধ করা: জিম্মাদার যদি দ্রব্য রক্ষার জন্য বা অন্য কাজে প্রয়োজনীয় খরচ করেন তাহলে জিম্মা দাতা তা পরিশোধ করবেন।
উপ- মানুষের দৈনন্দিন জীবনের লেনদেনের ক্ষেত্রে জিম্মা চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। জুম্মা চুক্তিতে সাধারণত জিম্মাদার দ্রব্যটি নির্দিষ্ট কাজের শেষে ফেরত নেয়া হয়। অথবা মে কোন সময় জিম্মাদাতা দ্রব্যটি ফেরত নিতে পারেন। অর্থাৎ জিম্মা দাতা কোন দ্রব্য জিমাদারের নিকট প্রদান করলেও দ্রব্যটি মূলত তারই নিয়ন্ত্রণে থাকে। অপরদিকে জিম্মাদারের নিকট দ্রব্যটি থাকলেও মূলত সেটি তার নিয়ন্ত্রণে থাকে না।
No comments:
Post a Comment