৩. ১. প্রস্তাব কি?
৩.১.১ প্রস্তাবের শর্ত বা উপাদান কি কি?
৩. ২. প্রস্তাবের বৈধতার জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ম গুলি কি কি? / প্রস্তাব সম্পর্কিত বিধান আলোচনা করো।
৩. ৩. প্রস্তাব, প্রস্তাব গ্রহণ ও প্রস্তাব বাতিল বা প্রত্যাহার সম্পর্কিত চুক্তি আইন ১৮৭২ এর সাধারণ নীতিসমূহ / বৈশিষ্ট্য আলোচনা কর। / প্রস্তাব গ্রহণ কখন সম্পন্ন হয়? / কখন এবং কিভাবে একটি প্রস্তাব প্রত্যাহার করা যায়?
৩. ৪. প্রস্তাব শর্তাধীন হতে পারে, কিছু স্বীকৃতি সর্বদাই শর্তহীন হওয়া আবশ্যক - আলোচনা কর।
৩. ৫. 'প্রস্তাবের নিমিত্তে আমন্ত্রণ প্রস্তাব নয়' - উদাহরণসহ উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
৩. ৬. পাল্টা প্রস্তাব বলতে কি বুঝ? একটি চুক্তিতে পাল্টা প্রস্তাবে ফলাফল আলোচনা কর।
৩. ১. প্রস্তাব কি?
কোন চুক্তি সম্পাদিত হলে তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো প্রস্তাব।
প্রস্তাব ছাড়া চুক্তি হয় না। এই প্রস্তাব লিখিত বা মৌখিক ছাড়াও আচার-আচরণের মাধ্যমে হতে পারে। আবার প্রস্তাব শর্তহীন বা শর্তযুক্ত যে কোন প্রকার হতে পারে। তবে যেভাবেই হোক প্রস্তাব অবশ্যই আইনসংগত হতে হবে।
প্রস্তাব কাকে বলে:
এক পক্ষ যখন অন্য পক্ষের নিকট থেকে কোন কিছু করা বা না করার দাবি করে বা ইচ্ছা প্রকাশ করে তখন তাকে প্রস্তাব বলে।
চুক্তি আইন অনুযায়ী- যখন কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির সম্মতি লাভের উদ্দেশ্যে কোন কিছু করা বা করা থেকে বিরত থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করে তখন এই ইচ্ছাকে প্রস্তাব বলে।
৩.১.১ প্রস্তাবের শর্ত বা উপাদান কি কি?
এমনি একটি প্রস্তাবের শর্ত বা উপাদান উল্লেখ করা হলো:
১) প্রস্তাব বিভিন্ন শর্ত যুক্ত হতে পারে
২) শর্তগুলি সুনির্দিষ্ট হতে হবে
৩) প্রস্তাব লিখিত বা মৌখিক হতে পারে
৪) প্রস্তাব আইন সম্মত হতে হবে
৫) প্রস্তাব গ্রহণের পূর্বে ইচ্ছা করলে তা প্রত্যাহার করা যায়
৬) প্রস্তাব গ্রহণকারী নিকট সংবাদ পৌঁছাতে হবে।
৩. ২. প্রস্তাবের বৈধতার জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ম গুলি কি কি? / প্রস্তাব সম্পর্কিত বিধান আলোচনা করো।
অন্যের সম্মতি লাভের জন্য কোন ব্যক্তি কোন কাজ করা বা না করার জন্য ইচ্ছা পোষণ করলে তা প্রস্তাব বলে।
চুক্তি আইনের দুই এর এ ধারা অনুযায়ী, অন্যের সম্মতি লাভের উদ্দেশ্যে যখন কোন কিছু করা বা না করার জন্য ইচ্ছা প্রকাশ করা হয় তখন তাকে প্রস্তাব বলে।
নিম্নে প্রস্তাব সম্পর্কিত সাধারণ নীতি বা বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করা হলো:
১) প্রস্তাব ব্যক্ত হতে পারে: মৌখিকভাবে বালিখিতভাবে প্রস্তাব দেওয়া হয় তাকে ব্যক্ত প্রস্তাব বলে । একটি প্রস্তাব ব্যক্ত হতে পারে।
২) প্রস্তাব অব্যক্ত হতে পারে: মানুষ তার আচার-আচরণের মাধ্যমে যে প্রস্তাব দেয় তাকে অব্যক্ত প্রস্তাব বলে। একটি প্রস্তাব অব্যক্ত হতে পারে।
৩) গ্রহীতাকে অবগত করতে হবে: কোন প্রস্তাব দেওয়া হলে তা গ্রহীতাকে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে।
৪) প্রস্তাব শর্ত যুক্ত হতে পারে: একটি প্রস্তাবের মধ্যে এক বা একাধিক শর্ত থাকতে পারে। তবে প্রস্তাবের মধ্যে যদি শর্ত থাকে তাহলে প্রস্তাব গ্রহীতা কে স্পষ্ট জানাতে হবে।
৫) প্রস্তাব স্পষ্ট হতে হবে: প্রস্তাব ব্যক্ত হোক আর অব্যক্ত হোক তা স্পষ্ট হতে হবে।
৬) আইনগত সম্পর্ক স্থাপনের উদ্দেশ্য থাকতে হবে: প্রস্তাবের মাধ্যমে কোন চুক্তি সম্পাদন করতে হলে আইনগত সম্পর্ক স্থাপনের উদ্দেশ্য থাকতে হবে।
৭) প্রতিশ্রুতি পালন এর ইচ্ছা থাকতে হবে: প্রস্তাবদাতা যে প্রস্তাব প্রদান করবেন গৃহীত হওয়ার পর সে অনুযায়ী প্রতিশ্রুতি পালনের ইচ্ছা থাকতে হবে।
৮) যার নিকট প্রস্তাব প্রদান করা যায়: প্রস্তাব যেকোনো ব্যক্তির নিকট করা যায়।
৩. ৩. প্রস্তাব, প্রস্তাব গ্রহণ ও প্রস্তাব বাতিল বা প্রত্যাহার সম্পর্কিত চুক্তি আইন ১৮৭২ এর সাধারণ নীতিসমূহ / বৈশিষ্ট্য আলোচনা কর। / প্রস্তাব গ্রহণ কখন সম্পন্ন হয়? / কখন এবং কিভাবে একটি প্রস্তাব প্রত্যাহার করা যায়?
৩.৩.১. । প্রস্তাব গ্রহণ, প্রস্তাব বাতিল সাধারণ নীতি বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর:
প্রস্তাব গ্রহণ সম্পর্কিত সাধারণ নীতিসমূহ বা বৈশিষ্ট্য/ প্রস্তাব গ্রহণ কখন অথবা কিভাবে সম্পন্ন হয়ঃ
চুক্তি আইনের ২ ( বি )ধারা অনুযায়ী, - যার নিকট প্রস্তাব করা হয় সেই ব্যক্তি যদি তাদের সম্মতি প্রদান করে তাহলে প্রস্তাব গ্রহণ বলে।
নিম্নে প্রস্তাব গ্রহণ সম্পর্কিত সাধারণ নীতি বা বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হলো:
১) গ্রহীতা কর্তৃক প্রস্তাব গ্রহণ হতে হবে: কি উপস্থা প্রদান করলে তা গ্রহীতা কর্তৃক গ্রহণ হতে হবে।
২) প্রস্তাব গ্রহণ শর্তহীন হতে হবে: প্রস্তাবদতার প্রস্তাবের মধ্যে এক বা একাধিক শর্ত থাকতে পারে। কিন্তু তা গ্রহণ করতে হবে শর্তহীনভাবে। অর্থাৎ প্রস্তাব গ্রহণের সময় কোন শর্ত আরোপ করা যাবে না।
৩) প্রস্তাব দাতাকে গ্রহণ সম্পর্কে জানতে হবে: প্রস্তাব গ্রহণ করা হলে উক্ত গ্রহণ সম্পর্কে প্রস্তাব দাতাকে জানাতে হবে।
৪) নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে গ্রহণ সম্পর্কে জানতে হবে: প্রস্তাবের মধ্য দিয়ে গ্রহণ সম্পর্কে নির্দিষ্ট পদ্ধতির কথা উল্লেখ থাকে তাহলে সেই পদ্ধতিতেই জানাতে হবে।
৫) প্রচলিত আইন অনুযায়ী জানাতে হবে: প্রস্তাবের মধ্যে যদি গ্রহণ সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোন পদ্ধতির কথা উল্লেখ না থাকে তাহলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী জানাতে হবে।
৬) প্রস্তাব গ্রহণ প্রত্যাহার বা বাতিল করা যায়: কোন প্রস্তাব গ্রহণ করার পর তা প্রস্তাবদাতার নিকট পৌঁছানোর পূর্ব পর্যন্ত তা প্রত্যাহার বা বাতিল করা যায়। কিন্তু প্রস্তাবদতার নিকট উক্ত গ্রহণ পৌঁছে গেলে তা আর প্রত্যাহার করা যায় না।
৩.৩.২। প্রস্তাব বাতিল বা প্রত্যাহার সম্পর্কিত সাধারণ নীতিসমূহ বা বৈশিষ্ট্য/ কখন কিভাবে প্রস্তাব প্রত্যাহার করা যেতে পারে?
প্রশ্নের প্রস্তাব বাতিল বা প্রত্যাহার সম্পর্কে সাধারণ নীতি বা বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হলো:
১) প্রস্তাব গ্রহণ প্রত্যাহার বা বাতিল করা যায়: চুক্তি আইনের ৫ দ্বারা অনুযায়ী কোন প্রস্তাব গ্রহণ করার পর তা প্রস্তাব দাতার নিকট পৌঁছানোর পূর্ব পর্যন্ত তা প্রত্যাহার বা বাতিল করা যায়। কিন্তু প্রস্তাবদতার নিকট উক্ত গ্রহণ পৌঁছে গেলে তা আর প্রত্যাহার করা যায় না।
২) নোটিশ দ্বারা প্রত্যাহার: প্রস্তাব গ্রহণের পূর্বে প্রস্তাবরা গ্রহীতা নোটিশ দ্বারা প্রস্তাব প্রত্যাহার বা বাতিল করতে পারেন।
৩) আপনা আপনি বাতিল: প্রস্তাব গ্রহণের জন্য যদি নির্দিষ্ট কোন সময় উল্লেখ থাকে তাহলে সেই সময়ের মধ্যে গ্রহণ না করলে প্রস্তাব আপনা আপনি বাতিল হয়ে যাবে।
৪) চুক্তি সংক্রান্ত সময়ের পর বাতিল: প্রস্তাব গ্রহণের জন্য যদি নির্দিষ্ট কোন সময় উল্লেখ না থাকে তাহলে যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে তা গ্রহণ না করলে উক্ত প্রস্তাব বাতিল হয়ে যাবে।
৫) প্রস্তাবদাতা পাগল হলে বা মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটলে: প্রস্তব্ধতা পাগল হয়ে গেলে বা মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটলে উক্ত সংবাদ প্রস্তাব গ্রহণের পূর্বেই গ্রহীতার নিকট পৌঁছালে প্রস্তাব বাতিল হয়ে যাবে।
৬) প্রস্তাবদতার মৃত্যু হলে: প্রস্তাবদাতা মৃত্যুবরণ করলে উক্ত সংবাদ প্রস্তাব গ্রহণের পূর্বেই গ্রহীতার নিকট পৌঁছালে প্রস্তাব বাতিল হয়ে যাবে।
৩. ৪. প্রস্তাব শর্তাধীন হতে পারে, কিছু স্বীকৃতি সর্বদাই শর্তহীন হওয়া আবশ্যক - আলোচনা কর।
প্রস্তাব শর্তাধীন হতে পারে: যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির সম্মতি লাভের উদ্দেশ্যে কোন কিছু করা বা করা থেকে বিরত থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করে তখন এই ইচ্ছাকে প্রস্তাব বলে।
এই প্রস্তাবের মধ্যে শর্ত থাকতে পারে। এমনকি একাধিক শর্ত থাকতে পারে। তবে উক্ত শর্ত সম্পর্কে প্রস্তাব গ্রহণকারীকে স্পষ্ট ভাবে জানাতে হবে। কিন্তু শর্ত না জেনে যদি কেউ প্রস্তাব গ্রহণ করেন তাহলে পরবর্তীতে তিনি চুক্তি পালন করতে বাধ্য থাকবেন। সুতরাং বলা যায় প্রস্তাব শর্তাধীন হতে পারে।
স্বীকৃতি সর্বদা শর্তহীন হওয়া আবশ্যক: প্রস্তাব প্রধান শর্তসাপেক্ষে হলেও উক্ত প্রস্তাবের স্বীকৃতি শর্তহীন হতে হবে। অর্থাৎ প্রস্তাব প্রধান কারী যে শর্তে প্রস্তাব প্রদান করবেন হুবহু সেভাবেই স্বীকৃতি প্রদান করতে হবে। শর্তসাপেক্ষে স্বীকৃতি প্রদান করলে তা আইনগত গ্রহণীয় হবে না। কারণ স্বীকৃতি শর্তসাপেক্ষে হলে তা পাল্টা প্রস্তাব হয়ে যাবে।
যেমন: কোন প্রস্তাব দাতা বা বিক্রেতা যদি তার ঘোড়াটি ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করার প্রস্তাব করে এবং প্রস্তাব গ্রহীতা বা ক্রেতা যদি তা চল্লিশ হাজার টাকায় ক্রয় করতে চায় তাহলে এটি পাল্টা প্রস্তাব হয়ে যাবে। অর্থাৎ প্রস্তাবকারী বা বিক্রেতা প্রস্তাব গ্রহণ না করে বরং তাকে অন্য প্রস্তাব দেওয়া হলো।
সুতরাং বলা যায় প্রস্তাব শর্তাধীন হতে পারে কিন্তু স্বীকৃতি সর্বদা শর্তহীন হওয়া আবশ্যক।
৩. ৫. 'প্রস্তাবের নিমিত্তে আমন্ত্রণ প্রস্তাব নয়' - উদাহরণসহ উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
প্রস্তাবের নিমিত্তে আমন্ত্রণ কোন চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এটি মূলত চুক্তির কোন উপাদান নয়।
কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোন কাজ সম্পাদনের জন্য অন্য কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে তাদের নিজস্ব শর্ত সম্বলিত প্রস্তাব আহ্বান করলে তাকে প্রস্তাবের নিমিত্তে আমন্ত্রণ বলে।
যেমন: দলপত্র আহ্বান বা কাগজের টেন্ডার দেওয়া।
কোন কাজ করার জন্য কন্ট্রাক্টরদের দরপত্র আহবান করা হয়। অর্থাৎ কাজটি তারা কত মূল্যে , কত দিনের মধ্যে , কোন পদ্ধতিতে করবে ইত্যাদি জানিয়ে কন্ট্রাক্টারদের নিকট থেকে দরপত্র আহ্বান করা হয়। কন্টাকটার গুন কোটেশন এর মাধ্যমে বিস্তারিত জানিয়ে দেন। দরপত্র আহ্বানকারী বিভিন্ন কন্টাক্টারদের দরপত্র পর্যালোচনা করে যাকে উপযুক্ত মনে করে তার কোটেশন বা প্রস্তাবে সম্মত হয়ে কাজের অনুমতি প্রদান করেন। এই সম্মত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত চুক্তির জন্ম হয় না। দরপত্র আহ্বানকারী কন্টাক্টরের দরপত্র বা কোটেশন বা প্রস্তাবে সম্মত হওয়ার সাথে সাথে চুক্তির জন্ম হয়।
সুতরাং বলা যায় যে, কোন কাজ করার জন্য অন্যদেরকে যে আমন্ত্রণ জানানো হয় সেই আমন্ত্রণকে প্রস্তাবের নিমিত্তে আমন্ত্রণ বলে।
৩. ৬. পাল্টা প্রস্তাব বলতে কি বুঝ? একটি চুক্তিতে পাল্টা প্রস্তাবে ফলাফল আলোচনা কর।
পাল্টা প্রস্তাবঃ
প্রস্তাব দাতা শর্তসাপেক্ষে প্রস্তাব প্রদান করতে পারে। কিন্তু প্রস্তাব গ্রহিতা বা সম্মতি দাতা কোন শর্ত প্রদান করে সম্মতি প্রদান করতে পারে না। তাকে প্রস্তাবদতার প্রস্তাব হুবহু গ্রহণ করতে হয়। যদি তিনি শর্ত প্রদান করেন তাহলে তা পাল্টা প্রস্তাব হিসেবে গণ্য হয়।
অর্থাৎ প্রস্তাব গ্রহীতা বা সম্মতি দাতা শর্তসাপেক্ষে স্বীকৃতি প্রদান করলে বা সম্মতি প্রদান করলে তা আইনত গ্রহণীয় হবে না কারণ স্বীকৃতি শর্তসাপেক্ষে হলে তা পাল্টা প্রস্তাব হয়ে যাবে।
যেমন: যেমন কোন প্রস্তাব দাতা বা বিক্রেতা যদি তার ঘোড়াটি ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করার প্রস্তাব করে এবং প্রস্তাব গ্রহীতা বা ক্রেতা যদি তা ৪০ হাজার টাকা ক্রয় করতে চায় তাহলে এটি পাল্টা প্রস্তাব হয়ে যাবে। অর্থাৎ উপরোক্ত প্রস্তাবকারী বা বিক্রেতা প্রস্তাব গ্রহণ না করে বরং তাকে অন্য প্রস্তাব দেওয়া হলো।
পাল্টা প্রস্তাবের ফলাফল:
পাল্টা প্রস্তাব মূলত প্রত্যাখ্যানযোগ্য প্রস্তাব। এর আইনগত ভিত্তি নেই। পাল্টা প্রস্তাব প্রদান করলে মূলত প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়। এক্ষেত্রে মূল প্রস্তাবকে কার্যকর করা যায় না।
No comments:
Post a Comment